Featured

एकतायेचें यादस्तीक – पुष्पा नायक

३१ऑक्टोबर, सरदार वल्लभभाय पटेल हांची जयंती. त्या निमतान तांचेवयली कविता:-

-: एकतायेचें यादस्तीक :-

नर्मदा न्हंयेच्या देगेर
केवाडियांतल्या जुव्यांचेर
गुजरात राज्याच्या भुयेंर
पुण्य भारत देशाच्या वेगेंत

उभो असो रावला तूं झेतांत
देशाच्या एकीच्या रुपांत
भक्कम तिख्याच्या भेसांत
जगांतल्या उंच अशा पुतळ्यांत

तुका पळोंवक मान आमची बागवता
हड्डें अभिमानान भरून येता
कर्तुबांची वळेरी दोळयांवयल्यान घुंवता
हात एकठांवन नतमस्तक जावंक लायता

याद जाता म्हाका त्या अढळ पदाची,
सावत्र आवयची तिडक आयिल्ल्या
बाळकाची
बापायच्या मांडये वयल्यान  धुकलेल्ल्या ध्रुवाची
देवान अढळपद दिल्ल्या ध्रुव ताऱ्याची

शेंकड्यानीं प्रांत जावचे नासले एकठांय
अखंड भारत जर नासलो तुमच्या सपनांत
देशाचो तिख्या पुरूस पावचो नासलो जावंक
वल्लभभाय तुमचें कर्तुब जर नासलें म्हान!

पुष्पा नायक, मिरामार पणजे

রক্তদান কর্মসূচি –

মায়ের প্রেরণা

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

রক্তদান কর্মসূচি পালন করেছে,

মনু দার অন্তরের টানে আমি ,হাওড়ার কাছে বালিতে গিয়ে ছিলাম। খুবই গর্বের সঙ্গে বলছি, ইস্টার্ন কমান্ড ব্লাডব্যাংক ইউনিট , ব্লাড কালেকসন করতে এসেছিলেন। সেটি ছিল আর্মির অর্গানাইজেশন, আর আমিও কারগিল যুদ্ধের সৈনিক, সাব মেজর নরেশ চন্দ্র দাস অবসরপ্রাপ্ত আমাদের রক্তে দেশের প্রতি ভালোবাসা, সবসময় আছে আর থাকবে ।

আর্মির সৈনিকেরা কাজ করছিল খুব ভালো লাগলো।

রক্তদান করাটা খুব অন্তরের আকুতি না হলে রক্ত দান করা যায় না। দাতা আর গ্রহিতার সাথে কোন সম্পর্ক থাকে না, শুধু অসীম ভালোবাসায় মানুষের প্রতি মানুষের অনুভব করতে শেখায়। তবে লেখা টি ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়। মানুষের কল্যাণের জন্যই লিখছি।

এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় রক্তদান করে, সমাজের অসহায় মানুষকে সাহায্য করছে। যেমন প্রত্যেক মাসে থেলাসেমিয়া রোগীদের জন্য রক্তের প্রয়োজন হয় , সম্পূর্ণরূপে স্বেচ্ছায় রক্তদান করে তাদের কল্যাণ হয় । আর একদিকে বাজারে রক্তের দোকান খোলা , টাকা দিলে রক্ত পাওয়া যাবে। এই রক্তগুলো বাজারে কি করে বিক্রয় হয় ?

গরিব মানুষের অসুস্থ অবস্থায় বা কোনো অ্যাক্সিডেন্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তের প্রয়োজন হয়। কিন্তু……

গরিব মানুষের টাকা দিয়ে রক্ত কেনার সামর্থ্য নেই , তারা কোথায় যাবে? একবার আপনারাই ভাবুন? এই কাজগুলো করা উচিত ?

এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় রক্ত দিচ্ছে, আরেক ব্যক্তি টাকা নিয়ে রক্ত বিক্রয় করছে। এটা কি করা উচিত?

বিচার আপনাদের কাছে।

হে নব বর্ষ ২০২১ মুচকি হেসে, তুমি এসো হে – অবনী ভূষণ বালা

নব বর্ষ ২০২১, তুমি এসো হে
(অবনী ভূষণ বালা)

২০২০-র সদ্য ভূমিষ্ট হওয়ার ক্রন্দন ধ্বনি শুনেই,আনন্দ, উল্লাস,হাসি খুশীর পরিবর্তে, মহা ধংসের উন্মাদনা নিয়ে আছড়ে পড়েছিল ভারত তথা বিশ্বের প্রতিটি কোনে কোনে সেদিন, করোনা নামক বিভৎস ভয়ংকর কু্ৎঝটিকা।যার দাপটে,রক্তক্ষয়ী মারন থাবায় অপূর্ব পৃথিবী আজ ও ছিন্নভিন্ন,ভগ্নজীর্ণ ক্ষতবিক্ষত, দিশেহারা,মৃত প্রায়। যে করোনা খাবলে খেয়েছে অপূর্ব পৃথিবীর রূপ,রস,সৌন্দর্য্য। তারই প্রভাবে কত লক্ষ কোটি কোটি জ্যোতিস্কের মতো উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব,বিরল মানব সম্পদ প্রায় বুদবুদের মতো মিলিয়ে গেল মহাশূন্যে দেখতে দেখতে।গলিত লাভার মতো যন্ত্রণা, দগদগে ঘায়ের মতো দুঃখ, তীব্র বেদনা,কোমল হৃদয় চিরে বেরিয়ে এসেছে, ক্ষতবিক্ষত করেছে।অশ্রু জল হয়ে কান্না দু-চোখর ধারা হয়ে ঝরে পড়েছে ।

অসহায় ভাবে চোখের জলে নিষ্পলক দৃষ্টিতে, কত যে অনাথ লোকেরা চির বিদায় জানালো তার সব থেকে কাছের প্রিয়জনকে, মহা স্মশানে নিরবে দাড়িয়ে,তা ও অনেক দূর থেকে। সাজানো কত শত সংসার,কত শত পরিকল্পনা, অসীম স্বপ্ন, অতি সংকটের কঠিন চাপে,ভেঙে খান খান,চূর্ণবিচূর্ন, ধূলিসাৎ ।কত যে স্বপ্ন ভাবনার আকাশ থেকে উধাও হয়ে গেল উল্কার মতো ,এই অতি মহামারীতে তার কোন হিসাবেই নেই । রিষ্টপুষ্ট তরতাজা পৃথীবির অর্থনৈতিক বিরাট বিপর্যয়, কেড়ে নিল কত যে কোটি কোটি মানুষের জীবন জীবিকা, তার ও কোন সীমাই নেই।

অনাহার, অপুষ্ট, কর্মহীনতা গোটা বিশ্বকে পঙ্গু করে দিয়েছে, যেন সবুজের বুকে দাবানলের লেলিহানের দৈরত্যের মত,যেন রুষ্ট দূর্বশা মুনির ভয়ংকরী অভিশাপের মতো। কাজ কর্ম হারিয়ে উদিগ্ন হয়ে গেছে কত কোটি কোটি যুবক যুবতীরা।দিক হারায়ে তারা ছুটে ফিরছে এ প্রান্তে ও প্রান্তে অফিসে, আদালতে, কাছারীতে,সরকারি সদর দপ্তরের দ্বারে দ্বারে।পৃথিবীকে সজীব,সুস্থ,গতিশীল রাখার মূল মন্ত্র যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি,তা ও ভয়ংকর ভীতির চাঁদর মুড়ি দিয়ে,ঠকঠক্ করে কাঁপছে, ভয়ে ভয়ে মুক্তির প্রহর গুনছে, চুপচাপ বসে বসে মুখ বধির হয়ে প্রতিক্ষণ ।

দীর্ঘশ্বাস, হতাশা, হাহাকার,আর গভীর নিস্তব্ধতা আজ বেড়ে ধরেছে গোটা সভ্যতাকে। এই শাপ থেকে মুক্তির অন্বেষণে সকলের হৃদয় আজ কত উৎকন্ঠিত,কত ব্যকুল। তাই তারা শত আঘাত বুকে সয়ে,সহস্র কঠিন প্রতিকূলতা মাড়িয়ে মাড়িয়ে, ধ্বংসাত্মক যন্ত্রণা হৃদয়ে নিয়ে, প্রতিকূলতার দেওয়াল ভেঙ্গে, কণ্টকাকীর্ণ বন্ধুর পথ রক্ত পায়ে দলে দলে, অতি কষ্টে ভগ্ন মেরুদণ্ড সোজা করে, অতি ধৈর্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে সম্মুখের দিকে কত মানুষ।

আবার নতুন স্বপ্নের, নব শান্তির সুখের নীড় বাঁধতে। তাই, এই নতুন দিশার আগামী পথের ৩৬৫ দিনের জীবন সঙ্গীনী হয়ে তুমি সাথে থাকবে বলে এগিয়ে এসেছ হে নব বর্ষ ২০২১। তাই ভগ্ন মনের অন্তর কোনে উঁকি দিয়েছে আবার নতুন বাসনার সুখ ঢেউ,তোমাকে ঘিরে। এসো হে নব বর্ষ ২০২১,তুমি এসো হে। তুমি এসো হে।নব দিগন্ত মনোরম রঙিন আলোকে সাজাতে, নব নব কলরবে, নতুন আলোর প্রকাশ ঢেলে, নতুন করে নব উল্লাসে, রাঙাতে জীবন, তুমি এসো হে।

তোমাকে বরণের আশায়, ঐ দ্যেখ বিশ্বের প্রতিটি দ্বারে দ্বারে, দ্যেখ কত শত সহস্র অগনিত স্বজন হারা,আত্ম ক্লিষ্ট,জরা, সর্বহারা গুনিজন, সকল দুঃখ জ্বালা বিয়োগের যন্ত্রণা ঝেড়ে ফেলে,ভুলে,নতুন করে জীবন বাঁধতে এগিয়ে এসেছে।এক রাশ আশা নিয়ে, আকাঙ্ক্ষা,স্বপ্ন পুরনে তোমাকেই সাথে নিয়ে ২০২১। প্রতিক্ষিত তোমার মঙ্গল আগমনের জন্যে। তোমার আগমনের পায়ের শব্দে,মুক্ত গগন নেচে উঠুক হাসিতে,নূপুরের ঝংকারে,চুড়ি, কংকনের উল্লাসে জেগে উঠুক পৃথিবী আবার নতুন আনন্দে উল্লাসে, ডগমগ হাসিতে,খুশিতে ভরে উঠুক এ অবনী,এ ধরনী।

তোমার কোমল পদ্ম চরণ স্পর্শে মিটে যাক সমাজের গভীর ক্ষত, শেষ হোক সকল দুঃখ, যন্ত্রণা। তুমি এসো হে, নব বর্ষ ২০২১,এসো হে। অনাথের পাশে এসো সাহারা হয়ে,তুমি এসো দীনজনের কাছে দীনবন্ধু হয়ে,তুমি এসো পথ হারার পাশে বিজয় মশাল জ্বেলে সঠিক পথের দিশারি হয়ে।তুমি এসো কর্মহীন মানুষের কাছে কাজের বহর নিয়ে,এসো অপূর্ব মায়াবী মমতা রুপে,করুনাময়ী হয়ে, অনুপম মাধুরী নিয়ে।

পুরাতনের সকল জ্বালা মুছে দিয়ে সুখ,শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নতি, প্রগতি নিয়ে।তোমার যাদু ভরা, হৃদয় হরা হরিন নয়ন মেলা সুফলা দৃষ্টি নিয়ে,সৃষ্টি কে সঞ্জিবনী ভরে দিতে,তোমার যাদুভরা আবয়ব দেখতে সারা পৃথিবী আজ অনিমেষ নয়নে তাকিয়ে আছে দ্যেখ, তোমার আগমনী পথ পানে চেয়ে চেয়ে। হে নব বর্ষ ২০২১ তুমি এসো হে।অতীতের সকল দুঃখ, চোখের জল চিরতরে মুছে দিতে তুমি এসো হে। হাসিতে খুশিতে ভরে দিতে এ ধরনী তুমি এসো হে । সারা বিশ্ব সেই আশাতেই গুনছে প্রহর,

হে নব বর্ষ ২০২১ মুচকি হেসে, তুমি এসো হে।

আপন হাতে জ্বালতে আলো
মুছে দিতে পুরাতনের সকল কালো
সঞ্জীবনীর সুধা হাতে
অনেক হাসি খুশি সাথে
বিশ্ব হৃদয়ে ভরতে তুমি
নতুন পরে দিশা দিতে এসো হে।

*সকল বন্ধু কে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল *

বর্তমানে ব্লাড কার্ডএর দরকার নেই , ডোনারের প্রয়োজন

19 শে ডিসেম্বর 20, থ্যালাসিমিয়া পেশেন্টের নাম :- দেবলীনা পন্ডিত। কালনা , পূর্ব বর্ধমান । ব্লাড গ্রুপ A পজেটিভ .। কালনা হসপিটালে ভর্তি হয়েছে, কিন্তু কালনা ব্লাড ব্যাংকে A পজেটিভ ব্লাড প্রোভাইড হয়নি এবং ডোনারের দরকার।

অতিসত্বর কালনা হসপিটালের স্বাস্থ্যকর্মী পার্থ কুন্ডু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন এবং ডোনারের ব্যবস্থা করে দেন। বারবার একই কথা আমি বলি_ বিশ্বজুড়ে রক্ত সংকট , কোভিড ১৯ আবহে রাজ্য জুড়ে রক্ত সংকট। রক্ত সংকট একদিনের কাহিনী নয়। কারণ বর্তমান অবস্থাতে করোনা ভাইরাসের ভয়ে রক্তদান করাটা যে মহৎ কাজ, এটি অবলুপ্ত হয়ে গেছে মানুষের মন থেকে। তাই বলে কি কেউ দিচ্ছে না? রক্ত দান করা মানুষের সংখ্যা খুব কম।

মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে চাপ দিয়ে রক্ত সংগ্রহ করা যায় না। যদি নিয়ম থাকত, রক্ত না দিলেই , রক্ত পাওয়া যাবে না। সে জায়গায় কোন অসুবিধে থাকতো না। এটা ব্যক্তিবিশেষের সমস্যা নয়, সমগ্র দেশের সমস্যা। কালনা ব্লাড ব্যাংক এর স্টাফ এবং সুপার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার ও ব্লাড ব্যাংকের মেডিকেল অফিসার্ খুবই পেশেন্টের সাথে সহযোগিতা করেন।

কিন্তু কালনা সুপার ফেসিলিটি হসপিটাল আপ্রাণ চেষ্টা করছে, তবুও কিছু সমস্যা থাকতেই পারে। তার মধ্যে সামান্য ধৈর্য, সৌজন্যবোধ বিবেকবোধের উপর বিচার করে, ব্লাড ব্যাংকের উপর চাপ সৃষ্টি না করে, পেসেন্ট পাটিদের সহযোগিতা করা দরকার ।

বর্তমানে ব্লাড কার্ডএর দরকার নেই ,ডোনারের প্রয়োজন । ব্লাড ব্যাংক কোথায় রক্ত পাবে ? তবে বর্তমান পরিস্থিতিকে অমান্য করা যায় না।

আশা করছি, এবং আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস আগামী দিনে এমন সমস্যা আসবে না। আর আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি, স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন । রক্ত সম্বন্ধে আমরা যদি সচেতন হই, তবে রক্তের অভাব হবে না।

কায়মনোবাক্যে শপথ নিন যে , আমি রক্ত দিয়েই রক্ত সংগ্রহ করবো। তা হলে রক্ত সংকট থাকবে না।

জয় হিন্দ।

ডোনার এর নাম হাকিম শেখ – Mejar Nareshchandra Das

স্বামী বিবেকানন্দের বাণী দিয়ে কাজটা শুরু করি _ এই জীবন ক্ষণস্থায়ী । পার্থিব ও অহংকারগুলোও দুদিনের। একমাত্র তারাই বেঁচে থাকেন, যারা অপরের জন্য বেঁচে থাকেন ,অন্যেরা জীবন্মৃত।”

17 ই ডিসেম্বর 20 , আমি আজ থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সম্বন্ধে বলবো না। একজন ভদ্রমহিলা নাম ফতেমা বিবি। বাড়ি: রুস্তমপুর, কালনা পূর্ব বর্ধমান। শারীরিক অসুস্থতার জন্য কালনা নতুন বাস স্ট্যান্ড এর মধ্যে বেসরকারি লীলা হসপিটালে ভর্তি হন। রক্তের অভাবে অপারেশন বন্ধ আছে।

গতকাল আমার সাথে ফতেমা বিবির পরিবার থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করে এবং বলেন_ যেমন করেই হোক একটি AB পজেটিভ ডোনারের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। অপারেশন করা যাচ্ছে না এবং রোগীর অবস্থা খুবই শোচনীয় । আমি তাড়াতাড়ি ব্লাড রিকুইজিশন টা হোয়াটসঅ্যাপে জসিম শেখ এর কাছে পাঠিয়ে দিই, (সমুদ্রগড়), তার সাথে জয় সরকারের কাছেও পাঠাই।

জসিম শেখ আমাকে বলল_ স্যার অন্য জায়গায় কিংবা অন্য কারোর কাছে বলতে হবে না । আমি ডোনারের ব্যবস্থা করে দেব। সেই মত অবস্থায় পেশেন্ট পার্টিকে বলে দিলাম।

সত্যি বলতে কি? যার প্রকৃত মনুষত্ববোধ, বিবেকবোধ, দৃঢ় সংকল্প, স্বচ্ছচিন্তা, উদ্যম এবং সেবাপরায়নতা তার সাথে যদি স্বার্থশূন্যতা থাকে, তবে অসম্ভব কাজ, সম্ভব হয়ে ওঠে। জসিম শেখ এবং হাকিম শেখ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন। যদি মানুষের মধ্যে পবিত্র আর নিঃস্বার্থ কাজ করার নেশা চাপে , সেখানে সংকট বলে কিছুই থাকেনা ।

জসিম শেখ ডোনার কে সাথে করে নিয়ে সোজা কালনা ব্লাড ব্যাংকে হাজির হলেন। আমি ব্লাড ব্যাংকের স্টাফদের সব সময় রেসপেক্ট করি , কারণ সব সময় ব্লাড ব্যাংকের স্টাফেরা কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে মানুষের কল্যাণে অনবরত কাজ করে থাকেন। ডোনার এর নাম হাকিম শেখ। সত্যিই হাকিম শেখ, হাকিম এর মতোই কাজ করে গেলেন। এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে ফতেমা বিবি কে মুক্তি দিলেন এবং রক্ত দান করে তার জীবনটা সাধারণ গতিতে ফিরিয়ে দিলেন।

আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি ফতেমা বিবি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুন। আর হাকিম শেখ ও জসিম শেখ কে অন্তর থেকে প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই। এখানে একটু সামান্য কথা বলি_ হাড়িকাঠে যখন মাথায় ঢোকে তখন বুঝতে পারে রক্তের কি দাম?, জীবনে কোনদিন রক্তদান করেনি, আর রক্ত কার্ড নিয়ে কালনা ব্লাড ব্যাংকে ঘোরাঘুরি করছে, রক্ত চাই। এটা কি সম্ভব?

কালনা ব্লাড ব্যাংক কি রক্ত উৎপাদন করবে? না_ কখনোই না।

প্রত্যেক মানুষকে সচেতন হতে হবে, রক্ত দিয়েই রক্ত নেব। তাহলে কোন রক্ত সংকট থাকবে না। সামান্য হলেও ত্যাগ আর সেবা মানুষের আদর্শ হওয়া দরকার।

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন__তাকেই আমি মহাত্মা বলি যার হৃদয় থেকে গরীবদের জন্য রক্তমোক্ষণ হয়, অন্যথায় দুরাত্মা।

জয় হিন্দ।

সত্যি – অবনী ভূষণ বালা

সত্যি
(অবনী ভূষণ বালা)

মিথ্যা তখন সত্যি হাসে
যখন সত্যি মিথ্যা হয়
ন্যায়ের খোঁজে মিথ্যা জালে
কত সত্যির মৃত্যু হয়।

সত্যি যখন মাথা খুঁটে
সত্য নায়ের পেছন ধায়
সকল সত্যিই মিথ্যায় ভরে
যখন রাজা মিথ্যা কয়।
জ্যান্ত সত্যি মরছে কত
নেতার স্বার্থে ধ্বংস হয়
নিরব সত্যি ভয়ে কাঁপে
মিথ্যার যখন জয়ী হয়।

সম্মুখে ভাঙ্গে সৌধ ভাঙে
সবাই দেখে মুখ লুকায়
শাবল গাঁইতি লাঠির ঘায়ে
কেনা বিচার কি দেখতে পায়?

মোড়ল যখন জল্লাদ নেতা
বিচার মরে মাথা খুঁড়ে মূর্খতায়
সত্যি বিচার চাইছে সবে
শুনতে পারে হাঃ হাঃবড্ড হাসি পায়।

Abani Bhushan Bala

বাবা এবং মায়ের ভুলের জন্য থালাসেমিয়া সন্তান জন্মগ্রহণ করে।

১৫ ই ডিসেম্বর 20, কালনা মহকুমা হসপিটালে ভর্তি হয়েছেন, থ্যালাসেমিয়া রোগী.

নাম_ দশরথ মাঝি, মন্তেশ্বরে বাড়ি ,লকডাউন আর করোনা ভাইরাসের মধ্যেই নয় বার রক্ত দেওয়া হোধলো।

ব্যাখ্যা কিন্তু আলাদা….. থ্যালাসেমিয়া রোগী কেমন করে হয় তার একটু কাহিনী বলি… একজন থ্যালাসেমিয়া বাহক আর একজন থ্যালাসেমিয়া বাহকে বিবাহ করিলে থ্যালাসেমিয়া রোগী জন্মগ্রহণ করে। এক্ষেত্রে যতজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর নাম লিখে দিলাম, তাদের বাবা-মা দুই জনই বাহক। সেই কারনে _ তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়া রোগী হয়েছে। বুঝতেই পারছেন , শুধুমাত্র অজ্ঞানতার জন্যই থ্যালাসেমিয়া রোগী জন্মগ্রহণ করে।

প্রত্যেক মাসে প্রত্যেক থালাসেমিয়া রোগীকে একবার কিংবা দুবার করে রক্ত দিতে হয়। এত রক্ত কোথায় পাওয়া যাবে? কোনো লোকাল মার্কেটে রক্ত পাওয়া যায় না।

সচেতন হোন !!!!!

ঠিকুজি নয় !!!

থ্যালাসেমিয়া রক্ত পরীক্ষা করে ছেলে -মেয়েদের বিবাহ দিন। এছাড়া অন্য কোনো রাস্তা নেই, এই মরণ রোগ থেকে মুক্তি পেতে গেলে একমাত্র প্রয়োজন থ্যালাসেমিয়া রক্ত পরীক্ষা। এইরকম অনেক থ্যালাসেমিয়া রোগী আছে,

তাহাদের বাবা-মা এমন ভুলটি করেছেন…..যেমন … সমিরন সরেন ,শুভদীপ মান্ডি, অনুব্রত সরকার, মৌমিতা দাস , প্রসেনজিৎ দাস, কেয়া দাস, প্রিয়াঙ্কা মিস্ত্রি, বর্ষা মালিক ( সম্প্রতি মারা গেছেন), দেবলীনা পন্ডিত , ও নেহা সান্যাল । প্রত্যেক জনকেই মাসে একবার করে রক্ত দিতে হয়।

একবার ভাবুন__ এই বাচ্চা গুলো কি অপরাধ করেছে? বাবা এবং মায়ের ভুলের জন্য, এইসব থালাসেমিয়া সন্তান জন্মগ্রহণ করে।

Sub Major Naresh Chandra Das

একমাত্র প্রয়োজন বিবাহের আগে থ্যালাসেমিয়া রক্ত পরীক্ষা করা তারপর বিয়ের পিড়িতে বসা ।

জয় হিন্দ !

কম্বল বিতরণ কর্মসূচি কালনা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে

রবিবার বিকালে হয়ে গেলো “চলো পাল্টাই” এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি।

চলো পাল্টাই’ কালনা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যাশায় নিরন্তর ভাবে কাজ করে চলেছে।

চলো পাল্টাই আগের বছরের মতো এ বছরও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিল শীতকালীন মরসুমে অসহায় শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, সেই উদ্দেশ্যকে সফল করার জন্য আমাদের আজ ১৩ই ডিসেম্বর, ২০২০ কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠিত হলো।


এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক যোগ প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ পদক জয়ী কালনা তথা রাজ্যবাসীর গর্ব সৃজা ঘোষ।

প্রায় বাইশ টি দেশের ৬৯০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে, সৃজা সেখানে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। তাকে সংবর্ধিত করার মধ্য দিয়ে আমাদের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

ছিলেন বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ সেবী ও প্রাক্তন সেনা অফিসার শ্রী নরেশ কুমার দাস।

দুঃস্থ মানুষগুলোর সাথে কিছুটা উষ্ণতা ভাগ করে নিতে পেরে চলো পাল্টাই এর সদস্যবৃন্দ আনন্দিত।

আপনাদের সাহায্য ও আশীর্বাদ কে পাথেয় করে আমরা আরো এগিয়ে যাব এই আমাদের শপথ।

Tribute to former Rakshamantri Padmabhushan Manohar bhai

Tribute to our former Rakshamantri Padmabhushan
Manohar bhai on his Jayanti

असले मनीस जिणेंत आमीं खुप कमी पयतले …

His trembling voice echoed …
How is the जोश ?
and for a second everyone lost their होश … me too.

Looking at his pale but happy face I muttered slowly under my breath , let them say whatever they say about him … but he is a soldier , a real hero of this land . There will never be another fighter like him…

My tribute to this hero on his 65th birthday..

13th December,1955 –> 17th March,2019

असले मनीस जिणेंत
आमीं खुप कमी पयतले …

पळयत रावले लोक ताच्या
नाकांतली वादी
तरीय तोच आसलो राजा
बाकी सगळीं प्यादीं…

मर्णाच्या दोळ्यांत ताणेन
दोळे घालून पळयल्ले
चल मर्णा भी ना तुकां
खर उतरानीं कळयल्ले..

हुंवार..उदका लोटांत ताची
बोट जरी हालताली
तरीय ताच्या सुकाणूंतल्यान
बेस बरी चलताली.

क्षिण आपल्या उतरानीं तो
चिमटो काडून हासयतालो
कौशल्यान होडये पंदचे
बुराक -वेरो दसयतालो.

अदी मदी सभां मदी
वातावरणां तापतालीं
असिम ताच्या विद्वत्तेक
बोडां सगळीं कांपतालीं.

थोडे मोग करताले
थोडे ताचेर जळताले
तरीय ताच्या दूरदृश्टीचे
मर्म सगळ्यांक कळटालें.

आमच्या मदल्यान धृव तारो
हासत आसमंतात गेलो
स्वर्गांतल्या गिऱ्या ताऱ्यांत
देवान ताका सोभोवंक व्हेलो..

भु ..तळांतल्यातल्यान फाटी फुडें
तशे… सगळेच आमीं वयतले
पुण असले मनीस खुप कमी
जिणेंत आमीं पयतले गा
जिणेंत आमीं पयतले …

— रमेश साजू घाडी.

কালনার বুকে এক ইতিহাস রচনা করলেন ডি এম স্যার এবং এসডিও স্যার

গতকাল অর্থাৎ 12 ই ডিসেম্বর 2020,

শ্রদ্ধেয় ডি এম স্যার, এসডিও স্যার, (কালনা সাব ডিভিশনাল অফিসার) বিডিও ম্যাডাম (কালনা -১) বিডিও স্যার (কালনা- ২ ) জাহাঙ্গীর স্যার, বিকাশ স্যার, তাপস বাবু, দেবাংশু সেন( BOI ব্যাঙ্ক ম্যানেজার) অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন, কালনা কলেজে রিপোর্টারদের উপস্থিতি লক্ষণীয় ছিল।

কারণটা একটু খুলে বলি_ জন্ম অন্ধ তিন ভাই_ সুশীল, সবুজ, সুমন ,এবং তাহাদের ভাগ্নে কৃষ্ণকে নিয়ে কালনার বুকে এক ইতিহাস রচনা করলেন ডি এম স্যার এবং এসডিও স্যার।

বিভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল , তার মধ্যে মুখ্য উদ্দেশ্য হল_ একটি অন্ধ ছেলে তার নাম সুমন বৈদ্য। তার বি এড ক্লাসের পড়াশোনার জন্য এসডিও স্যারের উদ্যোগে এবং BOI এর ব্যাঙ্ক ম্যানেজার সহযোগিতায় এডুকেশন লোন পেপার সুমন বৈদ্য হাতে তুলে দিলেন, আমাদের সবার প্রিয় পূর্ব বর্ধমানের ডি এম স্যার।

এই অন্ধ পরিবারের প্রতি এসডিও স্যারের যে সৎদ্ভাবনা গড়ে উঠেছে এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাহা খুব উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালনার বুকে। এর আগেও এমন সহযোগিতা ওই পরিবারকে কেউ দেয়নি। তাছাড়া সুমন বৈদ্যদের ছোট্ট বেলা থেকে কম্পিউটার কেনার ইচ্ছা ছিল। সে ইচ্ছাও পূরণ হয়েছে।

অদ্ভুত ব্যাপার_সুমন খুব সহজেই সাধারণ মানুষের মতই কম্পিউটার অপারেটিং করতে। আমি ব্যক্তিগতভাবে লকডাউন এর সময় থেকে তাদের পরিবারের যতটুকু করতে পেরেছি, সেটি আমার উপাসনা বললেই ভাল হয়।

সাহায্য তো ঈশ্বর করেন? আমি শুধু এই পরিবারের পাশে, সাথে থেকে পরিবারটি সমৃদ্ধি হয়ে উঠুক এই প্রার্থনা ঈশ্বরের কাছে করি ।

জয় হিন্দ !

পানীয় জলের প্রথম পর্ব

PHE পূর্ব বর্ধমানের Executive Engineer Somnath Sir and Asst Engineer Dabasish Sir এর সক্রিয় ভূমিকায় পাঁচটা মৌজায় অর্থাৎ কালনা 1 নম্বর ব্লকের অন্তর্গত ধর্ম ডাঙ্গা, মীরপুর, কোয়ালডাঙ্গা, রামেশ্বরপুর ও নিউ মধুবনের পানীয় জলের প্রথম পর্ব সমাপ্ত হলো।

ধর্মডাঙ্গা ৩৪০টি পানীয় জলের হাউস কানেকশন, মীরপুর এবং কোয়ালডাঙ্গা – ১৪০ টি রামেশ্বরপুর – ১৪০ এবং নিউ মধুবন- ১৭০ টি । মোট পানীয় জলের হাউস কানেকশন – ৭৯০ কাজ শেষ হলো। এখনো অনেক পরিবারই বাকি আছে, তাহাদের ও পানীয় জলের হাউস কানেকশন দেয়া হবে।

মীরপুর, কোয়ালডাঙ্গা, রামেশ্বরপুর ও নিউ মধুবনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে।

PHE এর সমস্ত ইঞ্জিনিয়ার টিম এবং ওয়ার্কার ও কনটাকটারদের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রথম পর্বের কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য সমস্ত গ্রামবাসীর তরফ থেকে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক ভালবাসা রইল।

জয় হিন্দ !