প্রিয়াঙ্কাকে রক্ত দিতে এগিয়ে এলেন গোয়ার নিবাসী কৃষ্ণেন্দু মজুমদার।

প্রিয়াঙ্কাকে রক্ত দিতে এগিয়ে এলেন গোয়ার নিবাসী কৃষ্ণেন্দু মজুমদার।

? আজ 12 ই সেপ্টেম্বর 20, আমি থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য কাজ করি এমন নয়, অন্য রোগীদের জন্য রক্তের অভাব পরলে কালনা হাসপাতালের দৌড়ে যাই।

শুধু এইটুকু মনে হয়, যেমন করেই হোক, রোগীকে সাধারণ জীবনযাত্রাতে ফিরে আসুক। রক্ত দিয়ে হোক, সহানুভূতি দিয়ে হোক, প্রেম দিয়ে হোক, ভালোবাসা দিয়ে হোক, ভাইচাড়া দিয়ে হোক । কিংবা পবিত্র আর নিঃস্বার্থ কর্মই দিয়ে হোক।

রোগী সুস্থ হয়ে উঠুক।

প্রিয়াঙ্কা মিস্ত্রি, থ্যালাসেমিয়া রোগী, বয়স 19 বছর । বাড়ি:- হাট কালনা। কালনা কলেজের ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রী। ব্লাড গ্রুপ O- নেগেটিভ। প্রত্যেক মাসের জন্য একবার করে রক্ত দিতে হবে। রক্তের গ্রুপ টা সাধারণ নয়।

চতুর্থবার রক্ত দেয়া হলো । যাই হোক, প্রিয়ঙ্কা মিস্ত্রির মত অনেকেই আছে । তাহাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

প্রিয়াঙ্কাকে রক্ত দিতে এগিয়ে এলেন গোয়ার নিবাসী কৃষ্ণেন্দু মজুমদার।

∇ আর এই কাজের জন্য সহযোগিতা করলেন– আমার মাস্টারমশাই শ্রী বিশ্বনাথ কর্মকারের এর পুত্র সৌমেন কর্মকার। সৌমেন শুধু আমায় বললো , দাদা আর খোঁজাখুঁজি করতে হবে না।

আমি একজন O- নেগেটিভ ডোনারকে নিয়ে হসপিটালে চলে যাব। যথারীতি কালনা হস্পিটালের ব্লাড ব্যাংকের স্টাফ আমাদের সাহায্য করলেন। কোথাও রক্ত সংকট নেই। আমরা একটু রক্ত দিয়ে, কাহার উপকার করবো এই সংকট টা সবচেয়ে মারাত্মক সংকট। এই ইচ্ছাটুকুই আমাদের নেই ।

আমার একান্ত অনুরোধ রক্ত দিয়ে ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত নিন। যে কোনো গ্রুপ ই হোক না কেন ?

আপনি একবার ব্লাড ব্যাংকে রক্ত দিন।

অবশ্যই পরবর্তী দিনে আপনিও রক্ত পাবেন।

জয় হিন্দ!

Heaith Healthline