মায়ের প্রেরণা

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

রক্তদান কর্মসূচি পালন করেছে,

মনু দার অন্তরের টানে আমি ,হাওড়ার কাছে বালিতে গিয়ে ছিলাম। খুবই গর্বের সঙ্গে বলছি, ইস্টার্ন কমান্ড ব্লাডব্যাংক ইউনিট , ব্লাড কালেকসন করতে এসেছিলেন। সেটি ছিল আর্মির অর্গানাইজেশন, আর আমিও কারগিল যুদ্ধের সৈনিক, সাব মেজর নরেশ চন্দ্র দাস অবসরপ্রাপ্ত আমাদের রক্তে দেশের প্রতি ভালোবাসা, সবসময় আছে আর থাকবে ।

আর্মির সৈনিকেরা কাজ করছিল খুব ভালো লাগলো।

রক্তদান করাটা খুব অন্তরের আকুতি না হলে রক্ত দান করা যায় না। দাতা আর গ্রহিতার সাথে কোন সম্পর্ক থাকে না, শুধু অসীম ভালোবাসায় মানুষের প্রতি মানুষের অনুভব করতে শেখায়। তবে লেখা টি ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়। মানুষের কল্যাণের জন্যই লিখছি।

এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় রক্তদান করে, সমাজের অসহায় মানুষকে সাহায্য করছে। যেমন প্রত্যেক মাসে থেলাসেমিয়া রোগীদের জন্য রক্তের প্রয়োজন হয় , সম্পূর্ণরূপে স্বেচ্ছায় রক্তদান করে তাদের কল্যাণ হয় । আর একদিকে বাজারে রক্তের দোকান খোলা , টাকা দিলে রক্ত পাওয়া যাবে। এই রক্তগুলো বাজারে কি করে বিক্রয় হয় ?

গরিব মানুষের অসুস্থ অবস্থায় বা কোনো অ্যাক্সিডেন্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তের প্রয়োজন হয়। কিন্তু……

গরিব মানুষের টাকা দিয়ে রক্ত কেনার সামর্থ্য নেই , তারা কোথায় যাবে? একবার আপনারাই ভাবুন? এই কাজগুলো করা উচিত ?

এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় রক্ত দিচ্ছে, আরেক ব্যক্তি টাকা নিয়ে রক্ত বিক্রয় করছে। এটা কি করা উচিত?

বিচার আপনাদের কাছে।