*স্বামী বিবেকানন্দ তার বাণীতে বলেছেন___” বল ভাই ভারতের মৃত্তিকা আমার স্বর্গ। ভারতের কল্যাণ আমার কল্যাণ । আর বল দিনরাত, হে গৌরিনাথ হে জগদম্বে আমায় মনুষত্ব দাও। মা, আমার দুর্বলতা কাপুরুষতা দূর কর। আমায় মানুষ কর।*

কালনা 2 নম্বর ব্লকের বিডিও স্যারের প্রচেষ্টায় আর কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে একচাকা সিদ্ধেশ্বরী ক্লাবের উদ্যোগে থ্যালাসেয়িয়া সচেতনতা শিবির করা হয় ।

থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা শিবিরের উদ্দেশ্য হল___ থ্যালাসেমিয়া মুক্ত ভারতবর্ষ। তার জন্যে কি কি করতে হবে?

# বিবাহের পূর্বে প্রতিটি মানুষ থ্যালাসেমিয়া বাহক কিনা জেনে নিন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের মাধ্যমে এই পরীক্ষা হয় সম্পূর্ণ বিনা ব্যয়ে।

# যদি কেহ বাহক হন, এতে ভয়ের কোন কারণ নেই। তিনিও আর সকলের মত সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষ। বাহক ব্যক্তিরাও রক্ত দানে সক্ষম । বাহক এর মধ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগের কোন লক্ষনই সাধারণভাবে দেখা যায় না।

# পুরুষ ও মহিলা দুইজনেই যদি থ্যালাসেমিয়া বাহক হন, তাহলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন না । তাহলেই থ্যালাসেমিয়া রোগী জন্মগ্রহণ করবে না।

# যে সব ব্যক্তি থ্যালা সেমিয়া রোগীকে দেখিয়ে গ্রামে-গঞ্জে পাড়ায়- পাড়ায় টাকার সাহায্য চাই, তাহাদের সাহায্য করবেন না। কারণ থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য রক্তের প্রয়োজন। টাকা নয় ।

# লোকাল মার্কেটে কোন রক্তের দোকান নাই, অতএব আমরা সচেতন হই, স্বেচ্ছায় রক্তদান করি। পয়সা দান নয়। রক্তদান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন___সাব মেজর নরেশ চন্দ্র দাস (অবসরপ্রাপ্ত), বুদ্ধদেব কোলে, কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সচিব, মধুসূদন দাস, স্বাগতা কর্মকার, গৌতম পাল, ধীরোজ চ্যাটার্জি , দেবাশিস কোলে, সোমনাথ

এছাড়া একচাকা সিদ্ধেশ্বরী ক্লাবের সদস্যবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

জয় হিন্দ।