পরনিন্দা,পরচর্চা আত্মার অবনতি ঘটে

স্বামী বিবেকানন্দর বাণী দিয়ে কাজটা শুরু করি

” বল ভাই_ ভারতের মৃত্তিকা আমার স্বর্গ, ভারতের কল্যাণ আমার কল্যান: আর বল দিন রাত, “হে গৌরিনাথ, হে জগদম্বে, আমায় মনুষত্ব দাও: মা, আমার দুর্বলতা কাপুরুষতার দুর কর, আমায় মানুষ কর ”

07/11/20, সমাজ থালাসেমিয়া মুক্ত হোক_আমরা চাইলেই এটা করতে পারি, তেমনি আগামী প্রজন্ম থ্যালাসেমিয়া মুক্ত। তাহলে আমাদের করণীয় কি?

১. বিবাহের পূর্বে প্রতিটি মানুষ থ্যালাসেমিয়া বাহক কিনা জেনে নিন পরীক্ষার মাধ্যমে (জিন টেস্ট)।

২. যদি কেহ বাহক হন, এতে ভীতির কোন কারণ নেই তিনিও একজন সুস্থ মানুষ।

৩. পুরুষ এবং মহিলা দুইজনেই যদি থ্যালাসেমিয়া বাহক হন, তাহলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন না। এভাবেই সম্ভব থ্যালাসেমিয়া মুক্ত সমাজ।

কাহিনীটি আজকে একটু অন্যরকম,

পদ্ম মালিক ভর্তি হয়েছেন কালনা হসপিটালে, পূর্ব সাহাপুরে নিবাসী। শরীরে রক্তের অভাব, তাও O Neg রক্তের প্রয়োজন। তিন দিন অপেক্ষা করে কোথাও রক্ত পান নি।

গতকাল টেলিফোনে আমার সাথে যোগাযোগ হয়, তারপর , আমি রথীন ঘোষকে ফোন করি। বিষহরি ডাঙ্গার নিবাসী, রথীন বাবু এর আগেও দুইবার O নেগেটিভ রক্ত দান করেছেন। আমি রথীন বাবুকে রোগীর সম্বন্ধে বলি। রোগীকে রক্ত দেয়া অত্যন্ত প্রয়োজন, তিনি যথারীতি রক্ত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আজ এক ইউনিট রক্ত পদ্ম মালিক কে দান করেন। তিনি সামান্য হলেও বিপর্যয় মুক্ত হন পদ্ম মালিক

। রথীন বাবু কে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা জানাই।


নিঃস্বার্থ প্রেরনা শুধু থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য নয়, আরো অনেক ব্যক্তির প্রচেষ্টায় এই পবিত্র এবং সমাজকল্যাণের কাজ করে চলেছে। রক্তের অভাব নেই, শুধু আমাদের মনের মধ্যে রক্ত দান করার অভাব রয়েছে।

পরনিন্দা, পরচর্চা আত্মার অবনতি ঘটে, এই ভেবে অপরকে কিছু বোঝানোর চেষ্টা আমি করছি না।

শুধু সৎ চিন্তা আর নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে। তাতেই দেশের কল্যাণ হবে।

জয় হিন্দ।