বাবা এবং মায়ের ভুলের জন্য থালাসেমিয়া সন্তান জন্মগ্রহণ করে।

১৫ ই ডিসেম্বর 20, কালনা মহকুমা হসপিটালে ভর্তি হয়েছেন, থ্যালাসেমিয়া রোগী.

নাম_ দশরথ মাঝি, মন্তেশ্বরে বাড়ি ,লকডাউন আর করোনা ভাইরাসের মধ্যেই নয় বার রক্ত দেওয়া হোধলো।

ব্যাখ্যা কিন্তু আলাদা….. থ্যালাসেমিয়া রোগী কেমন করে হয় তার একটু কাহিনী বলি… একজন থ্যালাসেমিয়া বাহক আর একজন থ্যালাসেমিয়া বাহকে বিবাহ করিলে থ্যালাসেমিয়া রোগী জন্মগ্রহণ করে। এক্ষেত্রে যতজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর নাম লিখে দিলাম, তাদের বাবা-মা দুই জনই বাহক। সেই কারনে _ তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়া রোগী হয়েছে। বুঝতেই পারছেন , শুধুমাত্র অজ্ঞানতার জন্যই থ্যালাসেমিয়া রোগী জন্মগ্রহণ করে।

প্রত্যেক মাসে প্রত্যেক থালাসেমিয়া রোগীকে একবার কিংবা দুবার করে রক্ত দিতে হয়। এত রক্ত কোথায় পাওয়া যাবে? কোনো লোকাল মার্কেটে রক্ত পাওয়া যায় না।

সচেতন হোন !!!!!

ঠিকুজি নয় !!!

থ্যালাসেমিয়া রক্ত পরীক্ষা করে ছেলে -মেয়েদের বিবাহ দিন। এছাড়া অন্য কোনো রাস্তা নেই, এই মরণ রোগ থেকে মুক্তি পেতে গেলে একমাত্র প্রয়োজন থ্যালাসেমিয়া রক্ত পরীক্ষা। এইরকম অনেক থ্যালাসেমিয়া রোগী আছে,

তাহাদের বাবা-মা এমন ভুলটি করেছেন…..যেমন … সমিরন সরেন ,শুভদীপ মান্ডি, অনুব্রত সরকার, মৌমিতা দাস , প্রসেনজিৎ দাস, কেয়া দাস, প্রিয়াঙ্কা মিস্ত্রি, বর্ষা মালিক ( সম্প্রতি মারা গেছেন), দেবলীনা পন্ডিত , ও নেহা সান্যাল । প্রত্যেক জনকেই মাসে একবার করে রক্ত দিতে হয়।

একবার ভাবুন__ এই বাচ্চা গুলো কি অপরাধ করেছে? বাবা এবং মায়ের ভুলের জন্য, এইসব থালাসেমিয়া সন্তান জন্মগ্রহণ করে।

Sub Major Naresh Chandra Das

একমাত্র প্রয়োজন বিবাহের আগে থ্যালাসেমিয়া রক্ত পরীক্ষা করা তারপর বিয়ের পিড়িতে বসা ।

জয় হিন্দ !